কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে আহাদ মুন্সি একটি দালাল ও নিষ্ঠুর চরিত্র এবং উদ্দীপকের হাসেম ব্যাপারী এ দালালি ও নিষ্ঠুরতায় বিশ্বাসী।
স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের মানুষের ওপর হানাদাররা নির্মম নির্যাতন চালায়। তখন হানাদারদের সঙ্গে যোগ দেয় এদেশীয় কিছু স্বার্থপর লোক। তারা সম্পদ লুণ্ঠন করে, নারীদের জোর করে হানাদারদের হাতে তুলে দেয়; তখন হেন অপরাধ নেই যা তারা করেনি।
উদ্দীপকে মফিজ খাঁর নিষ্ঠুর আচরণের পরিচয় পাওয়া যায়। মফিজ খাঁ জমিদার। এ ক্ষমতার কারণে সে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালায়। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করে হাসেম ব্যাপারী। জমিদারের কাছের লোক হওয়ায় সে মানুষের ওপর জুলুম করে। হালের বলদ, ঘরের টিন, পুকুরের মাছ সব জোর করে নিয়ে যায়। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের আহাদ মুন্সিও বর্বর হানাদার বাহিনীর সহযোগী। হানাদারদের দোসর সেজে সে গ্রামের মানুষের ওপর নির্যাতন চালায়। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে নানা তথ্য সরবরাহ করে তাদের সাহায্য করে। গ্রামের মানুষদের জোর করে সেনাদের বাঙ্কার নির্মাণ করতে নিয়ে যায়। তার আদেশেই বুধাকে জোর করে কাকতাড়ুয়া বানিয়ে রাখা হয় মাঠের মাঝখানে। আহাদ মুন্সির এ ধরনের অন্যায় অত্যাচারের সঙ্গে উদ্দীপকের হাসেম ব্যাপারীর অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতার সাদৃশ্য রয়েছে।
সারকথা: 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের আহাদ মুন্সি পাকিস্তানের দোসর হিসেবে কাজ করে। সে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম করে। উদ্দীপকের হাসেম ব্যাপারীও জমিদারের দোসর হওয়ায় মানুষের ওপর অত্যাচার করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!